February 22, 2024, 10:48 am

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন পোর্টাল
সংবাদ শিরোনাম :
চালের বস্তায় ধানের জাত ও মূল্য লিখে মিল গেট থেকে ছাড়তে হবে, তদারকি করবে স্থানীয় প্রশাসন কুষ্টিয়াসহ সারাদেশে ভাষাশহীদদের স্মরণে শহীদ মিনারে মিনারে মানুষের ঢল ১৯ মার্চের মধ্যে জিআই পণ্যের তালিকা প্রস্তুত করতে হাইকোর্টের নির্দেশ ডা. আকুল উদ্দিন কুষ্টিয়ার নতুন সিভিল সার্জন, চিকিৎসা সেবাই করে যেতে চান জীবনভর বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলীর শ্রদ্ধা মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন/অস্ত্র প্রতিযোগিতা বন্ধ করে সেই অর্থ জলবায়ু তহবিলে দিন : শেখ হাসিনা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় এলামনাই, কুষ্টিয়ার সভা অনুষ্ঠিত শুল্ক কমেছে, নানা মিথ্যা তথ্য দেখিয়ে দাম কমানো হচ্ছে না বেনাপোল এক্সপ্রেসে আগুন/ডিএনএ টেস্টে রাজবাড়ীর নিখোঁজ ৩ যাত্রীর মরদেহ শনাক্ত এসএসসি/ কুষ্টিয়ায় ৪৯টি কেন্দ্রে পরীক্ষা শুরু, অনুপস্থিতির হার কম

কুষ্টিয়ার আলোচিত ৩ হত্যা/ সেই পলাতক এএসআই সৌমনের মৃত্যুদন্ড

দৈনিক কুষ্টিয়া অনলাইন/
পরকীয়ায় জড়িয়ে তথাকথিত বিয়ে, বিয়ে করা সেই স্ত্রীর আগের স্বামীর ঘরের সন্তান ও আরেক যুবককে গুলি করে হত্যা করা মামলার আসামি বরখাস্ত হওয়া পুলিশের সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) সৌমেন রায়কে মৃত্যুদন্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে তাকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। তবে সেই সৌমেন হাইকোর্ট থেকে জামিন নিয়ে এখন পলাতক।
রোববার (১১ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে কুষ্টিয়া জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. রুহুল আমীন আসামির অনুপস্থিতিতে এ রায় ঘোষণা করেন। সৌমেন ছিলেন এই মামলার একমাত্র আসামী।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) অনুপ কুমার নন্দী।
দণ্ডপ্রাপ্ত সৌমেন রায় মাগুরা সদর উপজেলার কুচিয়ামোড়া ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের আসবা গ্রামের সুনীল রায়ের ছেলে। তিনি খুলনার ফুলতলা থানায় এএসআই হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
মামলা ও আদালত সূত্রে জানা গেছে, ঘটনা ২০২১ সালের ১৩ জুনের। ওইদিন বেলা সোয়া ১১টার দিকে কুষ্টিয়া শহরের কাস্টমস মোড় এলাকার নাজ ম্যানশন মার্কেটের বিকাশের দোকানের সামনে স্ত্রী আসমা খাতুন (২৫), তার আগের স্বামীর ছেলে রবিন (৫) ও আসমার কথিত প্রেমিক শাকিলকে (২৮) সরকারি অস্ত্র দিয়ে গুলি করে হত্যা করেন এএসআই সৌমেন রায়। এ ঘটনায় পুলিশ তাকে ঘটনাস্থল থেকে সার্ভিস রিভলভার, গুলি ও ম্যাগাজিনসহ আটক করে। পরে সেদিন বিকেলে তাকে বরখাস্ত করা হয়।
একইদিন রাতে এএসআই সৌমেন রায়কে একমাত্র আসামি করে হত্যা মামলা করেন নিহত আসমা খাতুনের মা হাসিনা বেগম। পরদিন কুষ্টিয়ার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. এনামুল হকের আদালতে হত্যার দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দেন সৌমেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা নিশিকান্ত সরকার তার বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেন।
২০২২ সালের ৬ নভেম্বর হাইকোর্ট থেকে জামিন নেন সৌমেন রায়। এরপর কুষ্টিয়া আদালতে বারবার আত্মসমর্পণের দিন ধার্য থাকলেও তিনি আত্মসমর্পণ করেননি। আদালতে আত্মসমর্পণ না করায় ২০২৩ সালের ২ ফেব্রুয়ারি তার বিরুদ্ধে গ্রেফাতরি পরোয়ানা জারি করেন আদালত। পরোয়ানা জারির এক বছর পেরিয়ে গেলেও এখনো পলাতক সৌমেন।
মামলার বাদী হাসিনা বেগম বলেন, তিনি রায়ে খুশী। কিন্তু তিনি জানতে চান সৌমেন কোথায় ? তিনি জানান বিভিন্ন জায়গায় খোঁজ নিয়ে জেনেছি, সে হাইকোর্ট থেকে জামিনে বেরিয়ে ভারতে পালিয়েছে। এমন নির্মম হত্যাকাণ্ডের একমাত্র আসামিকে জামিন দেওয়ায় আমি হতাশ।’
তিনি খুনীকে দ্রুত গ্রেফতার করে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার দাবি জানান।
মামলা সূত্রে জানা যায়, কুমারখালী থানায় দায়িত্বে থাকার সময় এএসআই সৌমেনের সঙ্গে একটি মামলাকে কেন্দ্র করে আসমার পরিচয় হয়। পরে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সেসময় সৌমেন তার নাম সুমন হোসেন রাখেন এবং সুমন নামেই মুসলিম বিধানমতে আসমাকে বিয়ে করেন। সৌমেন আসমার তৃতীয় স্বামী ছিলেন। বিয়ের পর থেকেই কুষ্টিয়ার আড়ুয়াপাড়ায় একটি ভাড়া বাসায় তারা বসবাস করছিলেন।
এএসআই সৌমেন খুলনার ফুলতলা থানায় বদলি হওয়ার পর থেকেই বিকাশকর্মী শাকিলের সঙ্গে সম্পর্কে জড়ান আসমা। এ সম্পর্ক মেনে নিতে পারেননি সৌমেন। সেই ক্ষোভ থেকেই প্রকাশ্যে স্ত্রী আসমা, আসমার দ্বিতীয় স্বামীর ছেলে রবিন এবং পরকীয়া প্রেমিক শাকিলকে গুলি করে হত্যা করেন সৌমেন।
সৌমেন রায় ২০১৫ সালে কনস্টেবল থেকে এএসআই পদে উন্নীত হন। পরে ২০১৬ সালে কুষ্টিয়ার কুমারখালী থানায় যোগ দেন। সেখান থেকে মিরপুর থানার হালসা ক্যাম্প, বাগেরহাট থানাসহ বিভিন্ন জায়গায় কর্মরত ছিলেন। সবশেষ খুলনার ফুলতলা থানায় কর্মরত ছিলেন এএসআই সৌমেন রায়।

নিউজটি শেয়ার করুন..


Leave a Reply

Your email address will not be published.

পুরোনো খবর এখানে,তারিখ অনুযায়ী

MonTueWedThuFriSatSun
   1234
19202122232425
26272829   
       
293031    
       
    123
25262728293031
       
  12345
27282930   
       
      1
9101112131415
3031     
    123
45678910
11121314151617
252627282930 
       
 123456
78910111213
28293031   
       
     12
3456789
24252627282930
31      
   1234
567891011
19202122232425
2627282930  
       
293031    
       
  12345
6789101112
       
  12345
2728     
       
      1
3031     
   1234
19202122232425
       
293031    
       
    123
45678910
       
  12345
27282930   
       
14151617181920
28      
       
       
       
    123
       
     12
31      
      1
2345678
16171819202122
23242526272829
3031     
     12
3456789
10111213141516
17181920212223
242526272829 
       
© All rights reserved © 2021 dainikkushtia.net
Design & Developed BY Anamul Rasel